আঘাতজনিত হাঁটু ব্যথায় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় যাদুকরি উন্নতি

আমার এই পোস্ট কোন ব্যক্তি, কোন প্রতিষ্ঠান এবং কোন পেশাকে ছোট করার উদ্দেশ্যে নয়।শুধু মাত্র আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য।
ছবিতে আমার পাশে যিনি দাঁড়িয়ে আছেন উনি আমাদের ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টারের সম্মানিত রোগী মনিশা সরকার। উনি পেশায় একজন শিক্ষিকা। প্রতিদিনের মতো গাড়িতে করে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় ড্রাইভারের অসতর্কতার জন্য উনি দূর্ঘটনায় পতিত হন এবং ডান হঁাটুতে মারাত্মক ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হন।
এই ঘটনার পর উনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ডাক্তার উনাকে পেইন কিলার খেতে দেন এবং গরম পানির সেক দিতে বলেন,আর ২ সপ্তাহ রেষ্টে থাকতে বলেন।
উনি দুই সপ্তাহ পেইন কিলার কন্টিনিউ করার পর উনার অবস্থার কোন উন্নতি না হলে উনি অন্য আরেক ডাক্তারের শরনাপন্ন হন।তারপর সেই ডাক্তার উনাকে পেইন কিলার কন্টিনিউ খেতে বলেন এবং ফিজিওথেরাপি সাজেস্ট করেন।কিন্তু উনি আর পেইন কিলার কন্টিনিউ করেননি এবং ফিজিওথেরাপির জন্য ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টারে আসেন।তারপর ডাঃ আনিছুর রহমান (পিটি)স্যার উনাকে ফিজিক্যালি এসেসমেন্ট করে আমাকে দ্বায়িত্ব প্রদান করেন উনাকে ফিজিওথেরাপি দেওয়ার জন্য,,স্যারের নির্দেশ ক্রমে আমি উনাকে হাটুর জন্য কিছু স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ,আইসোমেট্রিক এক্সারসাইজ, মায়োফেসিয়াল রিলিজ, এবং বরফ দেওয়া শুরু করি,, ইনশাআল্লাহ দুই সপ্তাহে উনার ৩০% এর মতো ইমপ্রুভমেন্ট এসেছে।এরপর আমরা উনাকে ১ মাসের ফিজিওথেরাপি নেওয়ার একটা পরামর্শ দেই।তারপর উনার রিএসেসমেন্ট করার জন্য উনাকে ডাঃ সাইফুল ইসলাম (পিটি)এবং ডাঃ মনিরুজ্জামান অলিভ(পিটি) স্যারের নির্দেশনায় ড্রাইনিডিলিং করা হল এবং স্ট্রেংদেনিং এক্সারসাইজ আরও বাড়ানো হলো।তারপর ধীরে ধীরে উনার ইম্প্রুভমেন্ট বাড়তে শুরু করলো।এবং আমরা উনার হাটুর পুরোপুরি রিহ্যাব শেষ করার পর উনি এখন পুরোপুরি সুস্থ।
আমরা উনার সার্বিক সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

মোছাঃ ফারজানা ববি
ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টার।
উত্তরা, ঢাকা।