ফিজিওথেরাপি কোর্স কোথায় করা যায়? কোর্সের খরচ কেমন?

ফিজিওথেরাপি কোর্স কোথায় করা যায় তা নিয়ে আপনি একটি বিস্তারিত ধারণা পাবেন।

বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি জনপ্রিয় ও চাহিদা সম্পন্ন একটি পেশা হয়ে উঠেছে। শারীরিক থেরাপি ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি ফিজিওথেরাপিস্ট হতে চান, তাহলে আপনার জন্য তিনটি প্রধান কোর্স রয়েছেঃ

  • বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি,
  • ডিপ্লোমা ইন ফিজিওথেরাপি টেকনোলজি,
  • ফিজিওথেরাপি অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্স,

বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টি, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, চট্রগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি কোর্স পরিচালিত হয়।

কোর্সের মেয়াদকালঃ চার বছর একাডেমিক + এক বছরের ইন্টার্ণশীপ সর্বমোট ৫ বছর।

ফিজিওথেরাপি কোর্স কোথায় পড়ানো হয়?

সরকারিভাবে

সরকারিভাবে বিএসএসি ইন ফিজিওথেরাপি পড়ার জন্য চারটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 

  • জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর)
  • যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • ঢাকা ও রাজশাহী  আইএইচটি

জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর)

জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুর্নবাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) ঢাকার আগারগাঁও অবস্থিত। এটি পোস্ট গ্রাজুয়েট ইন্সটিটিউট। এই প্রতিষ্ঠানে সর্বপ্রথম আহত মুক্তিযুদ্ধাদের সেবা দানের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালে বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি কোর্স চালু করা হয়। তারপরে নানা সংকটে কোর্সটি বন্ধ হয়ে যায়। পুনরায় ১৯৯৩-৯৪ সালে কোর্সটি চালু করা হয়। বর্তমানে ২৮ টি ব্যাচ অধ্যয়নরত রয়েছে।

নিটোরে ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা

এসএসসি/ সমমান পরীক্ষা ও এইচএসসি/ সমমান পরীক্ষা অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে। আর সাথে সাথে দুইটার জিপিএ একসাথ ন্যূনতম ৮.০০ থাকতে হবে। আলাদা ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন

বায়োলজি (৩০ মার্ক), ফিজিক্স (৩০ মার্ক), কেমস্ট্রি (৩০ মার্ক) ও ইংরেজি+ সাধারণ জ্ঞান (১০ মার্ক) সর্বমোট ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল তৈরির জন্য এসএসসির জিপিএর সাথে ১০ গুণ করে আর এইচএসসির জিপিএর সাথে ১২ গুণ করে এবং ভর্তি পরীক্ষার নাম্বারের সাথে যোগ করে ফলাফল তৈরি করা হয়।

আসনসংখ্যা : সর্বমোট ৪৫ টি।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জাস্ট)

পুনর্বাসন সেবাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ২০১৮ সালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিজিওথেরাপি ডিপার্টমেন্ট চালু হয়। বর্তমানে পাঁচটি ব্যাচ অধ্যয়নরত রয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা: (গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা)

এসএসসি/ সমমান পরীক্ষা ও এইচএসসি/ সমমান পরীক্ষা অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে। আর সাথে সাথে দুইটার জিপিএ একসাথ ন্যূনতম ৮.০০ থাকতে হবে। আলাদা ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন: (বর্তমান গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা) 

বায়োলজি(২৫ মার্ক), ফিজিক্স (২৫ মার্ক), কেমস্ট্রি (২৫ মার্ক), গণিত (২৫ মার্ক) এর পরিবর্তে কেউ চাইলে ইংরেজি বা  বাংলা (২৫ মার্ক) সর্বমোট ১০০ মার্কস।

বিশেষ শর্তঃ বায়োলজিতে ন্যূনতম ১০ মার্ক পেতে হবে। 

ফলাফলঃ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার মেরিট লিস্টের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে।

আসনসংখ্যাঃ ২০টি।

আইএইচটি

ঢাকা আইএইচটি ও রাজশাহী আইএইচটিতে বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি কোর্স রয়েছে। এর ৭৫℅ আসনই ডিপ্লোমাধারী টেকনোলজিস্ট  ফিজিওথেরাপি শিক্ষার্থীদের জন্য।  আর ২৫℅ জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য। ঢাকা আইচটিতে আসন সংখ্যা ৫৫টি।  আর রাজশাহী আইএইচটিতে আসন সংখ্যা ৩০টি। 

বেসরকারি ফিজিওথেরাপি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ

  • বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট ( বিএইচপিআই)
  • ঢাকা কলেজে অব ফিজিওথেরাপি ( ডিসিপিটি) 
  • ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ সাইন্স( আইআইএইচএস)
  • ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড হেলথ সাইন্স
  • স্টেট কলেজ অব হেলথ সাইন্স 
  • সাইক কলেজ অব মেডিক্যাল সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি
  • জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি 
  • আইএমটি
  • সিআইএমটি

বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনাল ইনিস্টিউট ( বিএইচপিআই)

শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ১৯৭৯ সালে গুদাম ঘরে সর্ব প্রথম সিআরপির যাত্রা শুরু হয়।  বর্তমান ঢাকার অদূরে সাভারের মধ্যে ১১ একরের জমিতে সিআরপি অবস্থিত। আর সিআরপি একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হল বিএইচপিআই। ১৯৯৯ সালে বিএইচপিআইতে বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি কোর্স  চালু হয়।

বিএইচপিআই ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা

এসএসসি/ সমমান পরীক্ষা ও এইচএসসি/ সমমান পরীক্ষা অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে। আর সাথে সাথে দুইটার জিপিএ একসাথ ন্যূনতম ৮.০০ থাকতে হবে। আলাদা ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন

বায়োলজি (২৫ মার্ক), ফিজিক্স (২৫ মার্ক), কেমস্ট্রি (২৫ মার্ক) ও ইংরেজি (১৫ মার্ক), সাধারণ জ্ঞান (১০ মার্ক) সর্বমোট ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল তৈরির জন্য এসএসসির ৪০% মার্ক আর এইচএসসি ৬০% মার্ক এবং ভর্তি পরীক্ষার নাম্বারের সাথে যোগ করে ফলাফল তৈরি করা হয়।

আসনসংখ্যাঃ সর্বমোট ৭০ টি।

ঢাকা কলেজ অব ফিজিওথেরাপি (ডিসিপিটি)

ঢাকা কলেজ অফ ফিজিওথেরাপি শ্যামলীর আদাবরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ফিজিওথেরাপি কলেজ। 

ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা

এসএসসি/ সমমান পরীক্ষা ও এইচএসসি/ সমমান পরীক্ষা অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে। আর সাথে সাথে দুইটার জিপিএ একসাথ ন্যূনতম ৮.০০ থাকতে হবে। আলাদা ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন

বায়োলজি (২৫ মার্ক), ফিজিক্স (২৫ মার্ক), কেমস্ট্রি (২৫ মার্ক) ও ইংরেজি (১৫ মার্ক), সাধারণ জ্ঞান (১০ মার্ক) সর্বমোট ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল তৈরির জন্য এসএসসির ৪০% মার্ক আর এইচএসসি ৬০% মার্ক এবং ভর্তি পরীক্ষার নাম্বারের সাথে যোগ করে ফলাফল তৈরি করা হয়।

আসনসংখ্যাঃ সর্বমোট ৩০ টি।

 

ময়মনসিংহ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড হেলথ সাইন্স

ময়মনসিংহ শহরে প্রথম বেসরকারি ফিজিওথেরাপি কলেজ। যার প্রতিষ্ঠাতা বেলা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. শামীম আহমেদ।  

ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা

এসএসসি/ সমমান পরীক্ষা ও এইচএসসি/ সমমান পরীক্ষা অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে। আর সাথে সাথে দুইটার জিপিএ একসাথ ন্যূনতম ৮.০০ থাকতে হবে। আলাদা ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন

বায়োলজি( ২৫ মার্ক), ফিজিক্স(২৫ মার্ক), কেমস্ট্রি (২৫ মার্ক) ও ইংরেজি(১৫ মার্ক), সাধারণ জ্ঞান (১০ মার্ক) সর্বমোট ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল তৈরির জন্য এসএসসির ৪০% মার্ক আর এইচএসসি ৬০% মার্ক এবং ভর্তি পরীক্ষার নাম্বারের সাথে যোগ করে ফলাফল তৈরি করা হয়।

আসনসংখ্যাঃ সর্বমোট ৩০ টি।

আইআইএইচএস

 ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ সাইন্স যা ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত। 

ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা

এসএসসি/ সমমান পরীক্ষা ও এইচএসসি/ সমমান পরীক্ষা অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে। আর সাথে সাথে দুইটার জিপিএ একসাথ ন্যূনতম ৮.০০ থাকতে হবে। আলাদা ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন

বায়োলজি (২৫ মার্ক), ফিজিক্স (২৫ মার্ক), কেমস্ট্রি (২৫ মার্ক) ও ইংরেজি (১৫ মার্ক), সাধারণ জ্ঞান (১০ মার্ক) সর্বমোট ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল তৈরির জন্য এসএসসির ৪০% মার্ক আর এইচএসসি ৬০% মার্ক এবং ভর্তি পরীক্ষার নাম্বারের সাথে যোগ করে ফলাফল তৈরি করা হয়।

আসনসংখ্যাঃ সর্বমোট ৪০ টি।

জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ কলেজ অব ফিজিওথেরাপি

এই কলেজটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত। ফিজিওথেরাপি শিক্ষাকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা

এসএসসি/ সমমান পরীক্ষা ও এইচএসসি/ সমমান পরীক্ষা অবশ্যই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে। আর সাথে সাথে দুইটার জিপিএ একসাথ ন্যূনতম ৮.০০ থাকতে হবে। আলাদা ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন

বায়োলজি (২৫ মার্ক), ফিজিক্স (২৫ মার্ক), কেমস্ট্রি (২৫ মার্ক) ও ইংরেজি (১৫ মার্ক), সাধারণ জ্ঞান (১০ মার্ক) সর্বমোট ১০০ নাম্বারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল তৈরির জন্য এসএসসির ৪০% মার্ক আর এইচএসসি ৬০% মার্ক এবং ভর্তি পরীক্ষার নাম্বারের সাথে যোগ করে ফলাফল তৈরি করা হয়।

আসন সংখ্যাঃ ৩০ টি

বাকি যে সকল ফিজিওথেরাপি কলেজ/ প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানের ভর্তি পরীক্ষায় বায়োলজি, কেমস্ট্রি, ফিজিক্স,  জিকে, ইংরেজি থেকে কোয়েশ্চন এসে থাকে। ভর্তি পরীক্ষার সিস্টেম  বেসরকারি অন্যান্য ভর্তি পরীক্ষা মতই হয়ে থাকে।  তবে আসন সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন। স্টেট কলেজ অফ হেলথ সাইন্সে আসন সংখ্যা ৫০টি, সাইক কলেজ অব মেডিক্যাল সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তে ৭০ টি, আইএমটিতে ২০ টি ও সিআইমটিতে ৫০টি আসন রয়েছে। 

বিশেষ নোটঃ বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপিতে ভর্তি হতে হলে সরকারি কিংবা বেসরকারিতে তার জন্য প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা আলাদা ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে।

বাংলাদেশ রিহেবিলিটেশন কাউন্সিল আইন অনুযায়ী একজন বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি ডিগ্রিধারী ব্যক্তি হলেন কোয়ালিফাইড ফিজিওথেরাপিস্ট।

বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপির খরচ

সরকারি

সরকারিভাবে বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি কোর্স করার খরচ অন্যান্য পাবলিক মেডিকেল/ বিশ্ববিদ্যালয়ের মত হয়ে থাকে। 

বেসরকারি

বেসরকারিভাবে বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি কোর্স করার খরচ  প্রতিষ্ঠানভেদে  ৪-৯ লাখের মত হয়ে থাকে। 

ডিপ্লোমা ইন ফিজিওথেরাপি টেকনোলজি

রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ফিজিওথেরাপি টেকনোলজি কোর্স রয়েছে। 

সরকারিভাবে আইচটি ডিপ্লোমা ইন ফিজিওথেরাপি টেকনোলজিতে ভর্তি পরীক্ষার যোগ্যতা:

এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ ন্যূনতম ২.৫ পেতে হবে। 

ভর্তি পরীক্ষার মানবন্টন (MCQ): ১০০ নম্বরের MCQ পরীক্ষা। 

  • বাংলা (১৫ মার্ক)
  • ইংরেজি (১৫ মার্ক)
  • রসায়ন (১৫ মার্ক)
  • গণিত (১৫ মার্ক)
  • পদার্থ বিজ্ঞান (১৫ মার্ক)
  • জীববিজ্ঞান (১৫ মার্ক)
  • সাধারণ জ্ঞান (১৫ মার্ক)
  • ফলাফল তৈরির পদ্ধতি

এসএসসির GPA এর সাথে ২০ গুণ করে  ভর্তি পরীক্ষার নাম্বারের সাথে যোগ করে ফলাফল তৈরি করা হয়।

আর ফিজিওথেরাপি টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা করলে ফিজিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট হতে পারবে। আর তিনি একজন গ্রাজুয়েট ফিজিওথেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে এবং  পরামর্শে বিভিন্ন থেরাপি প্রদান করতে পারবে।

ফিজিওথেরাপি অ্যাসিসট্যান্ট

ফিজিওথেরাপি অ্যাসিসট্যান্ট হতে হলে এক বছরের একটি কোর্স করতে হয়। তবে তাকে অবশ্যই একজন গ্রাজুয়েট ফিজিওথেরাপিস্টের তত্ত্বাবধানে থেকে কাজ করতে হবে।

 

লিখেছেন-

সাইফুল ইসলাম, পিটি
বিপিটি ( ঢাবি ), এমপিটি ( অর্থোপেডিকস ) – এন.আই.পি.এস, ইন্ডিয়া
পিজি.সি. ইন আকুপাংচার, ইন্ডিয়া
স্পেশাল ট্রেইন্ড ইন ওজন থেরাপি, ইউ.এস.এ এবং ওজোন ফোরাম, ইন্ডিয়া।
ফিজিওথেরাপি কনসালট্যান্ট, ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টার।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top